মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার;
ঝালকাঠি সদর হাসপাতারে তত্বাবধায়ক ডাক্তার শামিম আহমেদকে ১৭ ও ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং স্বাধীনতা দিবস পালন না কারায় শোকজ করা হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাক্তার শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল এই শোকজ করেন।
গত ২৭ মার্চ বিভাগীয় পরিচালক স্বাক্ষরিত ০৭১ স্বারকে জাতীয় দিবস যথাযথ ভাবে পালন না করা প্রসঙ্গের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সরকারী নির্দেশনা থাকা সত্বেও ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে কোন আলোক সজ্জা করা হয়নি। টাঙ্গানো হয়নি কোন ব্যানার।
জাতীয় দিবসে সরকারী নির্দেশনা বাস্তাবায়ন না করা কোন ভাবেই কাম্য নয়। তাই কি কারনে যথাযথ ভাবে জাতীয় দিবস পালন করা হয়নি তা সুস্পষ্ট জবাব চেয়ে ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে হাসপাতালের তত্বাবধায়ককে নির্দেশ প্রদানের এই চিঠি দেয়া হয়। এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার শামিম আহমেদের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, এ বিষয়ে আমি এখন কোন কথা বলতে রাজি নই। কোন বিষয়ে চিঠি হতেই পারে। তানিয়ে সাংবাদিকদের নিউজ করতে হবে কেন। আপনারা সব মিথ্যা লেখেন। সব জাতীয় দিবস আমি পালন করেছি। তাহলে বিভাগীয় পরিচালকের চিঠি কি মিথ্যা কিনা জানতে চাইলে, তিনি লাইন কেটে দেন।
এ প্রসঙ্গে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন এইচএম জহিরুল ইসলাম বলেন, সদর হাসপাতালে জাতীয় দিবস পালন না করার বিষয়টি আমি জেনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এটা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, তত্বাবধায়ক ডাক্তার শামিমম আহমেদ ঝালকাঠিতে ২০২৩ সনের ১১ মার্চ যোগদানের পর থেকে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেন। কারণে অকারনে তার অধিনস্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের শোকজ করে হয়রানির পাশাপাশি ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেন। গত ৭ জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২ দিন পূর্বে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে কর্মস্থল ত্যাগ করায় তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বিভাগীয় পরিচালক আরো একবার শোকজ করেন।
এসব নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তার দূর্নীতির মুখোশ উন্মোচন হয়ে যায়। এর পর থেকেই তিনি সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরন করে আসছেন।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে কর্মরত স্টেপরা বারবার তার কাছ থেকে প্রতারিত হয় তিনি আইন কাননের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে নিজের ইচ্ছে মতন রাজতন্ত্র চালায়, উক্ত বিষয় ঝালকাঠি জেলার সচেতন মহল ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন। এবং উল্লেখিত বিষয় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
উল্লেখিত অভিযোগের বিষয় দৈনিক যায়যায় বেলার প্রতিবেদক মুঠোফোনে সাক্ষাৎকারের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।